রাজধানীর গেন্ডারিয়া রেলস্টেশনসংলগ্ন দয়াগঞ্জ ঘুণ্টিঘর রেলগেট এলাকায় মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচিতে লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে ধরার ব্যাখ্যা দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। রোববার তাঁর প্রেস কর্মকর্তা মাহফুজ কবির মুক্তার পাঠানো বিবৃতিতে বলা হয়, মাদক কারবারিদের পক্ষ থেকে হামলার আশঙ্কায় আত্মরক্ষার জন্য তিনি ও সরকারি নিরাপত্তারক্ষীরা অল্প সময় অস্ত্র উঁচিয়ে ধরেছিলেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে অস্ত্র যথাস্থানে রাখা হয় বলে দাবি করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, শনিবার গেন্ডারিয়া রেললাইনসংলগ্ন কর্মসূচি চলার সময় একদল ব্যক্তি তাঁদের গাড়িবহরের দিকে মারমুখী ভঙ্গিতে এগিয়ে আসে। ইশরাক বলেন, ঘুণ্টিঘর, মুন্সিটেক, করাতিটোলা ও আশপাশে মাদক কেনাবেচা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদক বিস্তার নিয়ে স্থানীয়দের অভিযোগ তিনি পেয়ে আসছেন। গত জুনে মাদকসংক্রান্ত সহিংসতায় তিনজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তিনি এলাকা পরিদর্শন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন বলেও জানান।
বিবৃতি অনুযায়ী, গেন্ডারিয়া থানার পুলিশকে জানিয়ে তাদের উপস্থিতি ও সহযোগিতায় অভিযান চালানো হয়। চার থেকে পাঁচটি অবৈধ অস্থায়ী মাদকের আস্তানা উচ্ছেদ, মাদকসহ বিভিন্ন আলামত জব্দ এবং ছয়জনকে পুলিশের কাছে হস্তান্তরের দাবি করা হয়। ইশরাক কয়েকটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনকে অসম্পূর্ণ বলে অভিযোগ করেন; তবে ওই অভিযোগে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের বক্তব্য বিবৃতিতে ছিল না। তিনি ঢাকা-৬-এ অভিযান ও সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচি অব্যাহত রাখার কথা বলেন।
গেন্ডারিয়ায় হামলার আশঙ্কায় অস্ত্র উঁচিয়ে ধরা হয়েছিল বলে দাবি ইশরাকের
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।