জামালপুরের ইসলামপুরে সরকারের কাজের বিনিময়ে খাদ্যশস্য বা কাবিখা কর্মসূচির গ্রামীণ অবকাঠামো প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্পের মেয়াদ ৩০ জুন শেষ হলেও প্রতিবেদনের সময়ের প্রায় দুই মাস পরও কয়েকটি প্রকল্পের কাজ অসম্পূর্ণ ছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, কোথাও নামমাত্র কাজ করে বরাদ্দের চাল-গম তুলে নেওয়া হয়েছে।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কাবিখা কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায়ে ইসলামপুরে ৪৮ টন ৩২০ কেজি চাল এবং ৩৮ টন ৬৮০ কেজি গম বরাদ্দ দেওয়া হয়। বিভিন্ন রাস্তা পুনর্নির্মাণ, এইচবিবিকরণ ও গাইড ওয়াল নির্মাণ প্রকল্পের কাজ ও ব্যয় নিয়ে স্থানীয়রা প্রশ্ন তুলেছেন। তবে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদ প্রতিনিধিরা কাজ যথাযথ হয়েছে বা বরাদ্দ অনুযায়ীই হয়েছে বলে দাবি করেছেন।
বর্তমান ইউএনও শাহ্ মো. জুবায়ের বলেন, তাঁর যোগদানের আগেই বরাদ্দ ছাড় দেওয়া হয়েছিল এবং তদারকির দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের বিষয়টি খতিয়ে দেখা উচিত। তৎকালীন ইউএনও নামজুল হুসাইন বলেন, কাজ যথাযথ না হলে বিল না দিতে পিআইওকে নির্দেশনা দিয়েছিলেন। অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা পিআইও মো. হাবীবুর রহমান সুমন জানান, পরিদর্শন করে বিল দেওয়া হয়েছে; তবে চূড়ান্ত প্রতিবেদন পাঠানো হয়নি এবং মাঠপর্যায়ে কাজ চলমান রয়েছে।
মেয়াদ শেষের পরও ইসলামপুরের কাবিখা প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।