ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে আবাসন নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ছাত্রদল ও যুবদলের অন্তত ৩৬ জন নেতাকর্মীকে ‘বিশেষ বিবেচনায়’ হলে সিট দেওয়া হয়েছে, যাদের সেশন ২০০৮–০৯ থেকে ২০১৬–১৭ পর্যন্ত বিস্তৃত। অন্যদিকে সদ্য ভর্তি হওয়া ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা এখনো সিট না পেয়ে ভোগান্তিতে রয়েছেন। শিক্ষার্থীরা দাবি করেছেন, রাজনৈতিক বিবেচনায় এই সিট বণ্টন আবাসন সংকটকে আরও তীব্র করেছে।
২০ এপ্রিল দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদের নেতাকর্মীরা রেজিস্ট্রার ভবনের সামনে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। তারা প্রশাসনকে এক সপ্তাহের আল্টিমেটাম দিয়ে সতর্ক করেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সিট সমস্যা সমাধান না হলে নবীন শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করবে। ডাকসু নেতারা আবাসন ভাতা বা উপবৃত্তির দাবিও জানান।
উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম জানান, বিশ্ববিদ্যালয় শতভাগ আবাসিক নয়, তাই সবার জন্য একযোগে সিট দেওয়া সম্ভব নয়। তিনি ৩০ এপ্রিলের মধ্যে সিটসংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশের আশ্বাস দেন। তবে শিক্ষার্থীরা প্রশাসনের ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নন এবং রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ তুলেছেন।
ঢাবিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ৩৬ ছাত্রদল নেতাকে সিট দেওয়ায় প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।