Web Analytics

বাংলাদেশে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের শুরুতে শিক্ষার্থীদের হাতে মানসম্মত বিনামূল্যের পাঠ্যবই পৌঁছানো নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডে দরপত্রের অনিয়মের অভিযোগ, ধীরগতির মুদ্রণকাজ, বিদ্যুৎ সংকট এবং নিম্নমানের বই বাতিল এ শঙ্কা বাড়িয়েছে। ৩ অক্টোবর শিক্ষামন্ত্রী জানান, প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরা ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে নতুন বই পাবে এবং মানের ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

প্রাক্কলিত দর ফাঁস ও দরপত্র প্রক্রিয়া পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রায় ২৫২ কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয়ের অভিযোগে ৬ অক্টোবর মতিঝিলে এনসিটিবি কার্যালয়ে অভিযান চালায় দুদক। সংস্থাটি প্রাথমিক প্রাক্কলন, দাপ্তরিক মূল্যতালিকা ও বোর্ডের ৪২৩তম সভার কার্যবিবরণী সংগ্রহ করেছে। অভিযোগগুলোর সত্যতা এখনো নিশ্চিত হয়নি; নথি যাচাই করে কমিশনে প্রতিবেদন দেওয়ার কথা জানিয়েছে দুদক।

প্রাক্‌-প্রাথমিক থেকে নবম শ্রেণি, ইবতেদায়ি ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য প্রায় ৩১ কোটি বই ছাপার পরিকল্পনা রয়েছে, যার ব্যয় প্রায় ১,৮৯০ কোটি টাকা। ৩০ নভেম্বরের মধ্যে মানসম্মত বই প্রস্তুতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সময়মতো কাজ শেষ না হলে সংশ্লিষ্ট ছাপাখানার চুক্তি বাতিল করে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।

15 Oct 26 1NOJOR.COM

ছাপার ধীরগতি ও দরপত্রের অভিযোগে ২০২৭ সালের পাঠ্যবই বিতরণ নিয়ে শঙ্কা

Person of Interest

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।