বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন পোশাকশ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে সমর্থন জানিয়ে শিল্পাঞ্চলে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি করেছে। রোববার কেন্দ্রীয় সভাপতি অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক লসকর মো. তসলিমের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, আন্দোলনের সুযোগে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারীরা শ্রমিকদের স্বার্থের প্রতিনিধি নয়।
নেতারা বলেন, দ্রব্যমূল্য, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ও শিক্ষাব্যয় বাড়ায় বর্তমান আয়ে শ্রমিকদের জীবনযাপন অত্যন্ত কঠিন। বাজারদর, মূল্যস্ফীতি, গ্যাস-বিদ্যুতের বিল এবং সামগ্রিক জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় ইনসাফপূর্ণ ও যৌক্তিক ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের দাবি জানানো হয়। নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও শ্রমিকদের ন্যায্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপও চাওয়া হয়েছে।
গাজীপুর ও সাভারের অন্তত ৮০টি পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণাকে শিল্প খাতের জন্য উদ্বেগের বিষয় বলেছে ফেডারেশন। শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনার পর রোববার গঠিত নতুন মজুরি বোর্ডকে দ্রুত কার্যক্রম শেষ করে গ্রহণযোগ্য মজুরি ঘোষণার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে নিরপেক্ষ তদন্তে প্রকৃত অপরাধী শনাক্ত, তাদের শাস্তি এবং নিরীহ শ্রমিকদের হয়রানি, মিথ্যা মামলা ও অন্যায় গ্রেপ্তার থেকে বিরত থাকার দাবি তোলা হয়েছে।
মজুরি দাবি সমর্থন করে শিল্পাঞ্চলের নাশকতাকারীদের বিচারের দাবি ফেডারেশনের
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।