দীর্ঘদিনের পদোন্নতি জট, পদায়নে অনিশ্চয়তা, জনবল সংকট ও পেশাগত হতাশা মোকাবিলায় বাংলাদেশ পুলিশে একগুচ্ছ প্রশাসনিক উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা চলছে। এর মধ্যে রয়েছে ব্যাচভিত্তিক পদোন্নতি কাঠামো, গুরুত্বপূর্ণ পদায়নে ‘ফিট লিস্ট’, ১৮ হাজার নতুন পদ সৃষ্টি, আধুনিক প্রশিক্ষণ এবং একজন অতিরিক্ত আইজিপির নেতৃত্বে পূর্ণাঙ্গ সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট। ৩ আগস্টের একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের পর পুলিশ প্রশাসন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের বৈঠকের ধারাবাহিকতায় এসব সংস্কার উদ্যোগ সামনে আসে।
পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র বলেছে, সাময়িক পদোন্নতি দিয়ে দীর্ঘদিনের ক্ষোভ দূর করা সম্ভব নয়; তাই স্থায়ী ও স্বচ্ছ ক্যারিয়ার ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় চাকরির শর্ত ও সন্তোষজনক পারফরম্যান্স পূরণ হলে পদ শূন্য না থাকলেও পদোন্নতির সুযোগ তৈরি হতে পারে। প্রতিবেদনে ১৫তম, ১৭তম, ১৮তম ও ২০তম ব্যাচের কর্মকর্তাদের পদোন্নতির অপেক্ষার কথা বলা হয়েছে। ২১তম, ২২তম ও ২৪তম ব্যাচের ১১ কর্মকর্তা পদায়ন ও পদোন্নতিতে বৈষম্যের শিকার হয়েছেন বলেও উল্লেখ করা হয়।
২৩ আগস্ট পাঁচ ডিআইজিকে অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়। পরিকল্পিত ১৮ হাজার নিয়োগের মধ্যে ৪ হাজার নিরস্ত্র এসআই, ৪ হাজার সার্জেন্ট ও ১০ হাজার কনস্টেবল রয়েছেন। মানবাধিকার, জবাবদিহি, সাইবার ফরেনসিক ও পেশাগত নৈতিকতার প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করার এবং তা পদোন্নতি ও পদায়নের অগ্রাধিকার শর্তে যুক্ত করার প্রস্তাব নিয়ে কাজ চলছে।
পুলিশে পদোন্নতি সংস্কার, ১৮ হাজার নিয়োগ ও বিশেষ সাইবার ইউনিটের পরিকল্পনা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।