ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলায় অতি দরিদ্রদের কর্মসংস্থান কর্মসূচির খাল খনন প্রকল্পে ভুয়া শ্রমিকের নাম দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় উপকারভোগীদের দাবি, অনুমোদিত ড্রেনেজ খালের বদলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংরক্ষিত জিকে সেচ প্রকল্পের টার্শিয়ারি খাল খনন করা হয়েছে এবং অধিকাংশ কাজ শ্রমিকের পরিবর্তে এস্কেভেটর দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।
২০২৫-২৬ অর্থবছরে ডি-১২এক্সকে ও কেসমত ঘোড়াগাছার ১-ডি-১১-এন ড্রেনেজ খাল খননে মোট বরাদ্দ ছিল এক কোটি ৫৮ লাখ টাকা। জোড়াদহ জটার খালে ২৯৩ জন এবং কেসমত ঘোড়াগাছা খালে ৭৮ জন শ্রমিক কাজ করার কথা ছিল। পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জন কুমার দাস বলেন, সংরক্ষিত সেচ খাল খনন করা যায় না; নির্ধারিত নকশায় পুনঃআকৃতীকরণ করা যায়।
স্থানীয় বাসিন্দারা খালের অসম গভীরতা, সেচে সম্ভাব্য বাধা এবং খালপাড়ের গাছ কাটার অভিযোগ করেছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রদীপ্ত রায় দীপন বলেন, শ্রমিক তালিকায় ঘাপলা রয়েছে এবং এ বিষয়ে জেলা প্রশাসককে প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। পিআইও আজিজুর রহমান অনিয়ম অস্বীকার করলেও অন্য খাল খননের প্রকল্প সংশোধন ও অনুমতির আবেদন ঢাকায় পাঠানোর কথা বলেন। জেলা প্রশাসক নোমান হোসেন তদন্তে প্রমাণ মিললে আইনগত ব্যবস্থার কথা জানিয়েছেন।
ঝিনাইদহে ভুয়া শ্রমিক দেখিয়ে খাল খননের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তাধীন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।