বাংলাদেশের নতুন সরকার ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট চূড়ান্ত করতে বহুমাত্রিক চাপে পড়েছে। প্রায় ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার এই বাজেট চলতি বছরের তুলনায় ২৫ শতাংশ বড়। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ১১ জুন সংসদে বাজেট উপস্থাপন করবেন। বাজেটে উন্নয়ন খাতে তিন লাখ কোটি, ভর্তুকি ও প্রণোদনায় এক লাখ ১৬ হাজার কোটি এবং রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ছয় লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। বিদ্যুৎ, এলএনজি, সার ও খাদ্যসহ বিভিন্ন খাতে বড় অঙ্কের ভর্তুকি এবং পদ্মা ব্যারাজ ও মেট্রোরেলের মতো মেগা প্রকল্পে বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
বাজেটে নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন ও সীমিত আয়ের মানুষের স্বস্তি দিতে পরিবার ও কৃষক কার্ডসহ সামাজিক সহায়তা কর্মসূচি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। নিত্যপণ্যে করছাড় এবং বিলাসপণ্যে বাড়তি কর আরোপের প্রস্তাবও থাকছে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি ৫০ শতাংশ বাড়িয়ে তিন লাখ কোটি টাকায় উন্নীত করা হচ্ছে, যার ৩৯ শতাংশ থোক বরাদ্দ। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অবাস্তব এবং ব্যয় বৃদ্ধির ফলে মূল্যস্ফীতি ও ঋণচাপ আরও বাড়তে পারে।
অর্থনৈতিক স্থবিরতা ও উচ্চ মূল্যস্ফীতির মধ্যে কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ ও জনকল্যাণে জোর দিয়ে প্রবৃদ্ধি পুনরুদ্ধারই সরকারের মূল লক্ষ্য।
ভর্তুকি ও রাজস্ব ঘাটতির চাপে ৯.৩ লাখ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তুত করছে বাংলাদেশ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।