জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার রাঘবপুর গ্রামের ২৪ বছর বয়সী সিহাব হোসেন অভিযোগ করেছেন, প্রবাসে চাকরি দেওয়ার কথা বলে তাঁকে পাকিস্তানে নিয়ে গিয়ে একটি বেসরকারি হাসপাতালে কিডনি অপসারণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। তিনি তাঁর বাবা-মা, তারেক হাজী নামে এক দালাল এবং অজ্ঞাত কয়েকজনকে দায়ী করেছেন। সিহাবের ভাষ্য, তিনি ২২ জুলাই ঢাকা থেকে পাকিস্তানে যান এবং ৩১ জুলাই হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফিরে আসেন।
লিখিত অভিযোগে সিহাব বলেন, হাসপাতালে তাঁকে জানানো হয় তাঁর একটি কিডনি ছয় লাখ টাকায় বিক্রির চুক্তি হয়েছে এবং তাঁর বাবা তিন লাখ টাকা অগ্রিম নিয়েছেন। তিনি আগে এ বিষয়ে কিছু জানতেন না বলে দাবি করেন। আপত্তি জানানোর পর তাঁকে হাসপাতালে আটকে রেখে অস্ত্রোপচারের প্রস্তুতি নেওয়া হয় বলে তাঁর অভিযোগ। পরে অন্য একজনের সহায়তায় তিনি কৌশলে পালিয়ে আসেন বলে জানান।
সিহাবের দাবি, কালাই থানায় লিখিত অভিযোগ দিতে গেলেও তা নেওয়া হয়নি; তবে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেছেন, কেউ এমন অভিযোগ নিয়ে আসেনি। সিহাবের বাবা-মা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ছেলেকে দেশে ফেরাতে তারা মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন এবং ছেলে মিথ্যা অভিযোগ করছেন। পুলিশ সুপার শাহনাজ বেগম বলেন, অভিযোগটি আমলে নিয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে এবং অঙ্গ পাচারচক্রের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
জয়পুরহাটের তরুণের অভিযোগ, পাকিস্তানের হাসপাতালে কিডনি অপসারণের আগে তিনি পালিয়েছেন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।