Web Analytics

স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের প্রস্তুতিতে বাংলাদেশ সরকার ২০২৯ সাল পর্যন্ত বাস্তবায়নের জন্য ১৯টি সংস্কার কর্মসূচিসহ একটি রোডম্যাপ চূড়ান্ত করেছে। ‘ন্যাশনাল রোডম্যাপ ফর স্মুথ, সাসটেইনেবল অ্যান্ড ইররিভার্সিবল এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন (২০২৬-২০২৯)’ শীর্ষক পরিকল্পনায় সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা, ব্যাংক খাতে শৃঙ্খলা, রাজস্ব বৃদ্ধি, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, শিল্পের উৎপাদনশীলতা ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশাধিকারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। ২০২৯ সালের মধ্যে মূল্যস্ফীতি ৬ শতাংশে নামানো, কর-জিডিপি অনুপাত কমপক্ষে ৯ শতাংশে উন্নীত করা, ছয় মাসের আমদানি ব্যয়ের সমপরিমাণ রিজার্ভ গড়া এবং খেলাপি ঋণ ২০ শতাংশের নিচে নামানোর লক্ষ্য রাখা হয়েছে।

এই রোডম্যাপে তাৎক্ষণিক, মধ্যমেয়াদি ও উত্তরণ-পরবর্তী প্রস্তুতি—এই তিন পর্যায়ে সংস্কার সাজানো হয়েছে। পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভের মধ্যে রয়েছে আর্থিক স্থিতিশীলতা, বাণিজ্য রূপান্তর, শিল্প আধুনিকায়ন, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং সুশাসন ও অংশীদারত্ব। বাংলাদেশ প্রস্তুতির জন্য আরও তিন বছর সময় পেয়েছে এবং এলডিসি-সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য সুবিধাগুলো অন্তত ২০২৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত বহাল থাকবে।

প্রথম ধাপে মূল্যস্ফীতি কমানো, ব্যাংকে ডিসট্রেসড অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক এবং ১৪ দিনের মধ্যে ব্যবসার লাইসেন্স নিশ্চিতের উদ্যোগ রয়েছে। অর্থায়নের ৪০ শতাংশ জাতীয় বাজেট বা এডিপি, ৩০ শতাংশ উন্নয়ন সহযোগী, ২৫ শতাংশ বেসরকারি বিনিয়োগ এবং ৫ শতাংশ ব্লেন্ডেড ও গ্রিন ফাইন্যান্স থেকে আসবে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিবের নেতৃত্বাধীন পাবলিক-প্রাইভেট টাস্কফোর্স ও এসএসজিপি কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবে।

02 Nov 26 1NOJOR.COM

এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিতে ২০২৯ পর্যন্ত ১৯ সংস্কার কর্মসূচি চূড়ান্ত করেছে সরকার

Person of Interest

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।