কুড়িগ্রাম সদর ও চিলমারী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা, দুজনেরই নাম মো. মাহমুদুল হাসান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বদলিতে অনিয়মের অভিযোগের মুখে পড়েছেন। শিক্ষক নেতাদের অভিযোগ, নীতিমালা উপেক্ষা করে আর্থিক লেনদেন ও রাজনৈতিক প্রভাবের মাধ্যমে বদলির সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ৩০ সেপ্টেম্বর চিলমারীতে ১১ জন এবং কুড়িগ্রাম সদরে ১২ জন সহকারী শিক্ষকের বদলির আদেশ জারি হয়।
চিলমারীতে তালিকার নিচের দিকে থাকা কয়েকজন শিক্ষককে জ্যেষ্ঠদের অগ্রাহ্য করে বদলি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। কুড়িগ্রাম সদরেও কয়েকটি ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০ জন শিক্ষকের জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষক আব্দুর রহিমকে পাঁচগাছি আশরাফিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলি দেখানো হলেও শিক্ষা অফিসের শূন্য পদের তালিকায় বিদ্যালয়টির নাম ছিল না এবং তাঁর পছন্দক্রমেও সেটি উল্লেখ ছিল না।
অনুসন্ধানে দুই উপজেলায় আটজন করে শিক্ষকের ক্ষেত্রে এ ধরনের অনিয়মের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। চিলমারীর ইউএনও বলেন, ডেপুটেশন, মাতৃত্বকালীন ছুটি, জ্যেষ্ঠতা ও দুজনের মধ্যে একজনকে বদলির নীতিমালা মেনেই সিদ্ধান্ত হয়েছে। সদর ইউএনও জানান, পর্যালোচনায় কিছু অসংগতি পাওয়া গেছে; আবার বৈঠক করে সমস্যার সমাধান করা হবে।
প্রাথমিক শিক্ষক বদলিতে অনিয়মের অভিযোগে কুড়িগ্রামের দুই ইউএনও
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।