দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু জানিয়েছেন, আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-নালা, খাল ও জলাধার খনন করা হবে। কুড়িগ্রামের হলোখানা ইউনিয়নের দাসের হাট ছড়া থেকে এসিল্যান্ড সংযোগ পর্যন্ত খালের পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনকালে তিনি এ তথ্য দেন। মন্ত্রী বলেন, এই উদ্যোগ দেশের পানি ব্যবস্থাপনায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে পারে।
তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও সেচব্যবস্থার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন, যার ফলে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো চাল রপ্তানি করেছিল। বিএনপি এখন সেই স্বপ্নপূরণে পুনরায় ‘খাল খনন’ কর্মসূচি শুরু করেছে। মন্ত্রীর মতে, এই কর্মসূচি আধুনিক সেচ প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বাড়াবে, মাছচাষ ও হাঁস পালনের সুযোগ সৃষ্টি করবে এবং বন্যা ও জলাবদ্ধতা মোকাবিলায় সহায়ক হবে।
‘অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি)’র বরাদ্দ থেকে এই খাল খনন প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথসহ স্থানীয় প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।
২০ হাজার কিমি খাল খননে সেচ ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।