শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও কর্মজীবী ও বিভিন্ন বয়সি মানুষের মধ্যে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদের চাহিদা বাড়ছে। ১৯৯২ সালের ২১ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত এই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় উন্মুক্ত ও দূরশিক্ষণ পদ্ধতিতে এসএসসি থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত কার্যক্রম চালায়। পূজার ছুটির কারণে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিন কোনো আয়োজন হয়নি। তবে ২৮ অক্টোবর ক্যাম্পাসে র্যালি ও আলোচনা সভাসহ অনুষ্ঠান হবে; এতে প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
বাউবির প্রায় সাড়ে ৩ লাখ শিক্ষার্থীর ৮০ শতাংশ কর্মজীবী এবং এর সঙ্গে ২১ হাজার শিক্ষক সম্পৃক্ত বলে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানিয়েছে। গাজীপুরের বোর্ড বাজারের মূল ক্যাম্পাস থেকে পরিচালিত কার্যক্রম দেশের ১২টি আঞ্চলিক ও ৬৩টি উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্র, সংযুক্ত অধ্যয়ন কেন্দ্র এবং অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমে চলে। তবে শিক্ষকসংকট, অনিয়মিত ক্লাস, দক্ষ শিক্ষকের অভাব, নকলের সুযোগ এবং পরীক্ষায় কম অংশগ্রহণ নিয়ে অভিযোগ রয়েছে।
উপাচার্য জানান, শিক্ষার্থীদের ওপর আর্থিক চাপ কমাতে সরকারি বরাদ্দ বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছে, কারণ বাজেটের প্রায় ৯৩ শতাংশ আসে শিক্ষার্থী ফি থেকে। আগামী জানুয়ারিতে কওমি শিক্ষার্থীদের চাহিদা অনুযায়ী এসএসসি ও এইচএসসি কর্মসূচি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। নকল ঠেকাতে ই-হাজিরা, ছবিযুক্ত প্রবেশপত্র এবং পরীক্ষা কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থায় নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
সনদের চাহিদা বৃদ্ধির মধ্যে মান ও পরীক্ষা সংস্কারে উদ্যোগ নিচ্ছে বাউবি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।