গত এক বছরে ভারতীয় রুপির মান উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। দ্য ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের মে থেকে ২০২৬ সালের মে পর্যন্ত রুপির মান বাংলাদেশি টাকার বিপরীতে প্রায় ১০ শতাংশ এবং পাকিস্তানি রুপির বিপরীতে প্রায় ১২ শতাংশ কমেছে। গত বুধবার প্রতি ডলারের বিপরীতে রুপির বিনিময়হার রেকর্ড পরিমাণে নেমে এসেছে ৯৬ দশমিক ৯৬-এ। বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি এবং বিদেশি বিনিয়োগ প্রবাহ কমে যাওয়াই এ পতনের মূল কারণ।
ভারতের জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরশীলতা রুপিকে তেলের দামের ওঠানামার প্রতি সংবেদনশীল করে তুলেছে। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনা স্থবিরতা এবং আন্তর্জাতিক বন্ডের সুদহার বৃদ্ধির কারণে বিনিয়োগকারীরা উদীয়মান বাজার থেকে অর্থ সরিয়ে নিচ্ছেন, ফলে রুপির ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়েছে। অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, রুপির এই অবমূল্যায়ন বিদেশে পড়াশোনা, আন্তর্জাতিক ভ্রমণ, আমদানি পণ্য ও ব্যবসায়িক ব্যয় বাড়িয়ে দিতে পারে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, যদি আমদানি ব্যয় রপ্তানি আয় ও বৈদেশিক মূলধন প্রবাহের তুলনায় দ্রুত বাড়তে থাকে, তাহলে ভারতের চলতি হিসাবের ঘাটতি আরও গভীর হতে পারে। আগামী মাসগুলোতে বৈশ্বিক ভূরাজনীতি, মুদ্রাস্ফীতি ও বিনিয়োগ প্রবাহ রুপির ভবিষ্যৎ অবস্থান নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তেলের দাম ও বৈশ্বিক অনিশ্চয়তায় টাকার বিপরীতে রুপির মান ১০% কমেছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।