সিরিয়া ও সৌদি আরব বিমান, জ্বালানি, রিয়েল এস্টেট ও টেলিযোগাযোগ খাতে বহু-বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যা ১৪ বছরের বিধ্বংসী গৃহযুদ্ধের পর পুনর্গঠনের প্রচেষ্টার অংশ। সিরিয়ার বিনিয়োগ কর্তৃপক্ষের প্রধান তালাল আল-হিলালি জানান, এসব চুক্তির মধ্যে রয়েছে আলেপ্পোতে নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণ, একটি স্বল্পমূল্যের সিরিয়ান-সৌদি এয়ারলাইন চালু করা এবং ‘সিল্কলিংক’ নামে টেলিযোগাযোগ প্রকল্প, যা দেশটিকে আঞ্চলিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলবে। সৌদি আরবের এলাফ ফান্ড আলেপ্পোর দুটি বিমানবন্দর উন্নয়নে ২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে, আর প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার যাবে টেলিযোগাযোগ খাতে।
সৌদি আরব সিরিয়ার নতুন সরকারের প্রধান সমর্থক, যারা ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বাশার আল-আসাদকে অপসারণের পর ক্ষমতায় আসে। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর এটি সিরিয়ায় সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ। জ্বালানি মন্ত্রণালয় সৌদি কোম্পানি একওয়া পাওয়ারের সঙ্গে পানি সংক্রান্ত চুক্তি করেছে, এবং ফ্লাইনাস ও সিরিয়ার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে “ফ্লাইনাস সিরিয়া” এয়ারলাইন চালুর ঘোষণা দিয়েছে, যা ২০২৬ সালের শেষ প্রান্তিকে কার্যক্রম শুরু করবে।
মার্কিন দূত টম ব্যারাক এই চুক্তিকে পুনর্গঠনের জন্য ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেছেন, তবে বিশ্লেষক বেঞ্জামিন ফেভ সতর্ক করে বলেছেন, এসব চুক্তি স্বল্পমেয়াদে অর্থনৈতিক পরিবর্তনের চেয়ে রাজনৈতিক বার্তা বহন করে।
সিরিয়া-সৌদি আরবের বড় বিনিয়োগ চুক্তি, বিমান ও টেলিযোগাযোগ খাতে পুনর্গঠন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।