ফিফা ও বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার যৌথ সমীক্ষা অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ থেকে সম্মিলিত অর্থনৈতিক উৎপাদন হতে পারে ৮০ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার। এই টুর্নামেন্ট বৈশ্বিক জিডিপিতে সরাসরি অবদান রাখবে ৪০ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার এবং তিন দেশের সরকার কর বাবদ পাবে প্রায় ৯ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার। যুক্তরাষ্ট্রে হবে ৭৮টি ম্যাচ, আর কানাডা ও মেক্সিকো আয়োজন করবে ১৩টি করে। লস অ্যাঞ্জেলেস ও ডালাস শহর তাদের ম্যাচ থেকে শত কোটি ডলারের আয়ের আশা করছে।
তবে স্বাধীন অর্থনীতিবিদরা এই হিসাব নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের কলেজ অব দ্য হলি ক্রসের অধ্যাপক ভিক্টর ম্যাথেসন বলেছেন, আয়োজকদের বিপুল ব্যয় ও অবিক্রীত টিকিটের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রকৃত লাভ প্রচারের তুলনায় কম হতে পারে। তবুও এই আয়োজন বিশ্বজুড়ে ৮ লাখ ২৪ হাজার পূর্ণকালীন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে, যার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ১১টি শহরে নতুন কাজ পেয়েছেন প্রায় ১ লাখ ৮৫ হাজার মানুষ।
২০২৩–২৬ চক্রে ফিফার মোট আয় পৌঁছাবে ১১ বিলিয়ন ডলারে, এবং দলগুলোর জন্য পুরস্কারের অঙ্ক ৫০ শতাংশের বেশি বাড়িয়ে ৬৫৫ মিলিয়ন ডলার করা হয়েছে।
ফিফা-ডব্লিউটিও সমীক্ষায় ৮০ বিলিয়ন ডলারের বিশ্বকাপ আয়, বিশেষজ্ঞদের সংশয়
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।