২২ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত আমার দেশের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গণভবন থেকে উদ্ধার নথিতে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও তাঁর পরিবারের একটি ‘টার্গেট প্রোফাইল’ ছিল। প্রতিবেদনের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই নথিতে তাঁর জীবনী, শিক্ষা, রাজনৈতিক পরিচয়, নির্বাচনি ইতিহাস, মামলার তথ্য এবং বাবা, ভাই, স্ত্রী ও সন্তানদের পরিচয়সহ পারিবারিক সম্পর্ক সংরক্ষণ করা হয়েছিল। প্রতিবেদনে এটিকে শেখ হাসিনা সরকারের আমলে তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে রাজনৈতিক টার্গেট হিসেবে দেখার প্রমাণ বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনটি সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ‘আয়নাঘর ফাইলস’ প্রামাণ্যচিত্রে হুম্মাম কাদের চৌধুরীর বক্তব্য উদ্ধৃত করেছে। তিনি বলেন, তাঁর বাবার ফাঁসি ও দাফনসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গণভবন থেকে এসেছিল। প্রতিবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়, পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর অধ্যয়নসংক্রান্ত সাক্ষ্য দিতে চাওয়া ব্যক্তিদের সুযোগ দেওয়া হয়নি এবং চার পাকিস্তানি সাক্ষীকে ভিসা না দিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাইফার বার্তা ছিল।
প্রতিবেদনে হুম্মাম কাদের চৌধুরীর অভিযোগও তুলে ধরা হয়েছে যে, ৪ আগস্ট ২০১৬ সালে তাঁকে ডিবি পরিচয়ধারীরা তুলে নিয়ে সাত মাস যৌথ জিজ্ঞাসাবাদ সেলে রেখেছিল। উদ্ধার নথিগুলো এখন জুলাই জাদুঘরে প্রদর্শিত হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
গণভবন থেকে উদ্ধার নথিতে কাদের চৌধুরী পরিবারকে টার্গেট করার দাবি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।