চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে ১৫ তলা ভবন নির্মাণে সিডিএ’র নিয়ম ভঙ্গ, প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে কোরাল রীফ প্রপার্টিজের বিরুদ্ধে তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। প্রতিষ্ঠানটি জমির মালিকদের ফ্ল্যাট না দিয়ে একাধিক ক্রেতার কাছে একই ফ্ল্যাট বিক্রি, স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া চুক্তি তৈরি এবং কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ আত্মসাতের অভিযোগে অভিযুক্ত। পুলিশের তদন্তে জমির মালিকদের করা মামলার অভিযোগ প্রমাণিত হলেও ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানের পাল্টা মামলায় কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।
২০১২ সালে ৩০ জন ওয়ারিশের সঙ্গে চুক্তি করে তিন বছরের মধ্যে কাজ শেষের শর্তে প্রকল্প শুরু হয়। ২০১৪ সালে সিডিএ অনুমোদন দিলেও প্রতিষ্ঠানটি সময়মতো কাজ শেষ করেনি এবং মালিকদের প্রাপ্য অর্থও দেয়নি। অভিযোগ রয়েছে, পার্কিং এলাকা ভেঙে দোকান নির্মাণ ও হোটেল হিসেবে নকশা পরিবর্তন করা হয়েছে। এসব নিয়ে আদালতে একাধিক মামলা ও স্থানীয় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
সূত্র জানায়, কোরাল রীফের প্রতারণা কক্সবাজারেও ছড়িয়েছে, যেখানে হাজারো বিনিয়োগকারী হোটেল মালিক বানানোর প্রলোভনে প্রতারিত হয়েছেন। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি কার্যত লাপাত্তা, এবং ফ্ল্যাট মালিকানা নিয়ে সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
চট্টগ্রামে কোরাল রীফ প্রপার্টিজের প্রতারণা ও সিডিএ নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে তদন্তে সত্যতা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।