ইরান যুদ্ধ ও তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাবে ভারতের রুপি ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে। ২০২৫ সালে রুপির মান ৫ শতাংশ কমেছিল, আর ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে আরও ৫.৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে রুপির মান প্রতি ডলারে ৯৫ থেকে ১০০ পর্যন্ত নেমে যেতে পারে। রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া বিপুল পরিমাণ ডলার বিক্রি করে বাজার স্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে, কিন্তু দৃশ্যমান ফল পাওয়া যায়নি।
ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরে থাকায় ভারতের মাসিক আমদানি ব্যয় প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার বেড়েছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এই চাপ বিজেপি সরকারের জন্য বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। ব্যাংকিং খাতেও প্রভাব পড়েছে; স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার শেয়ার ৪ শতাংশ কমেছে। সরকার দাবি করছে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ১১ মাসের আমদানি ব্যয় মেটাতে যথেষ্ট, তবে পরিস্থিতি তেলের দাম ও ভূরাজনীতির ওপর নির্ভর করছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বাণিজ্য ঘাটতি ও উৎপাদন খাতের দুর্বলতা রুপির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে, যা সরকারের প্রচারণা ও বাস্তবতার মধ্যে ফারাক স্পষ্ট করছে।
ইরান যুদ্ধ ও তেলের দাম বৃদ্ধিতে রুপির মান কমে ভারতের অর্থনীতি চাপে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।