বাংলাদেশে জ্বালানি সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। দেশের মোট ৩২ হাজার ৩২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার মধ্যে ৬৫ শতাংশ কেন্দ্র বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন যোগ হচ্ছে মাত্র ১০ থেকে সাড়ে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। বিদ্যুৎ বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এক অর্থবছরে পিডিবিকে ক্যাপাসিটি চার্জ বাবদ ২৬ হাজার কোটি টাকার বেশি পরিশোধ করতে হয়েছে। তারা এ সংকটের জন্য বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ভুল নীতি ও দুর্নীতিকে দায়ী করেছেন।
গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্রগুলোর ১২ হাজার মেগাওয়াট সক্ষমতার বিপরীতে উৎপাদন হচ্ছে মাত্র চার হাজার মেগাওয়াট। কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রগুলোও জ্বালানি ঘাটতিতে ভুগছে। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, গ্রীষ্মে চাহিদা ১৮ হাজার মেগাওয়াটে পৌঁছালে ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। অন্তর্বর্তী সরকার প্রকাশিত শ্বেতপত্রে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে এক লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের বকেয়া ৫০ হাজার কোটি টাকার বেশি, যা পরিশোধ না হলে জ্বালানি আমদানি ও উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
জ্বালানি ঘাটতিতে ৬৫ শতাংশ বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ, বিদ্যুৎ সরবরাহে বড় সংকট
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।