আমার দেশ দাবি করেছে, সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তা ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির চাকরিচ্যুতির জন্য পত্রিকাটির প্রতিবেদন দায়ী—সজীব ওয়াজেদ জয় ও লেখায় ‘নব্য বিএনপি’ হিসেবে বর্ণিত কয়েকজনের এমন অভিযোগ সঠিক নয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাহসিফ ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে চাকরিচ্যুত হন; আমার দেশ পুনঃপ্রকাশিত হয় ২২ ডিসেম্বর ২০২৪ সালে এবং বিতর্কিত প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয় তার চাকরিচ্যুতির প্রায় এক বছর পর।
লেখা অনুযায়ী, তাহসিফের বাবা জানিয়েছিলেন শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে তাকে বিমান বাহিনী থেকে অপসারণ করা হয়েছিল, তবে অভিযোগের বিস্তারিত বলেননি। জুলাইয়ের একটি পডকাস্টে তাহসিফ বলেন, চাকরিচ্যুতির সময় নেওয়া তার পাসপোর্ট প্রায় দুই বছর পর ফেরত পেয়েছেন। আমার দেশ বলছে, তাদের প্রতিবেদনে তাহসিফকে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর এজেন্ট বলা হয়নি; শেখ হাসিনার চলে যাওয়ার একটি ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণেই তার নাম ও ছবি এসেছে।
বৃহস্পতিবারের এক ফেসবুক পোস্টে জয় অভিযোগ করেন, আমার দেশের অপপ্রচারে তাহসিফের পেশাগত জীবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং জবাবদিহি চান। রাশেদ খানও প্রতিবেদন নিয়ে প্রশ্ন তুলে জবাবদিহির কথা বলেন; আমজনতা পার্টির তারেকও পৃথক সমালোচনা করেন। আমার দেশ এসব বক্তব্যকে মিথ্যা বলেছে এবং তাহসিফের মৃত্যুর প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন ও জড়িতদের বিচারের দাবি জানিয়েছে।
তাহসিফের চাকরিচ্যুতিতে প্রতিবেদনের ভূমিকার অভিযোগ অস্বীকার আমার দেশের
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।