যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে সংঘাত অবসানে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়লেও সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত ছাড়তে অনড় রয়েছে ইরান। তেহরান বলছে, যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের শর্ত মানতে হবে; না হলে যুদ্ধের অবসান হবে না এবং হরমুজ প্রণালিও খুলবে না। নতুন সংঘাতের আশঙ্কার মধ্যে বুধবার পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির তেহরান সফর করেন। এর আগে সোমবার রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ ইরানের রাজধানী সফর করেন।
ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজায়ি বলেন, দেশ থেকে এক গ্রাম সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামও সরানো হবে না। তবে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের তদারকিতে উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মাত্রা কমানোর সম্ভাবনা তিনি নাকচ করেননি। ইরানি কর্মকর্তারা পারমাণবিক কর্মসূচিকে সার্বভৌম অধিকার ও জাতীয় সম্পদ হিসেবে দেখেন এবং সামরিক চাপের মুখে তা ত্যাগকে আত্মসমর্পণ মনে করেন।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরান আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থাকে পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শনের অনুমতি দেয়নি। তেহরানের শর্তের মধ্যে জুনের সমঝোতা স্মারকে ফেরা, হরমুজে ইরান-ওমানের সাময়িক নৌ চলাচল চুক্তির স্বীকৃতি, তেল নিষেধাজ্ঞা শিথিল এবং জব্দ ইরানি সম্পদ ছাড়ার বিষয় রয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, পেন্টাগন ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট রণতরি আঘাতকারী দল ও একটি মেরিন ইউনিট মধ্যপ্রাচ্যে পাঠাচ্ছে।
কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যেও সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ছাড়তে অস্বীকৃতি ইরানের
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।