সাবেক বিমান বাহিনীর ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মৃত্যু তদন্তে শেষবার সঙ্গে থাকা জুনিয়র বন্ধু আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য নতুন প্রশ্ন তুলেছে। দীপ প্রথমে বলেন, মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে উত্তরায় তাহসিফের কাছ থেকে আলাদা হন। পরে তিনি পিবিআইকে জানান, তারা মোটরসাইকেলে টঙ্গীর মাজার বস্তি এলাকায় যান; সেখানে পুলিশের পোশাক পরা লোকজনের ধাওয়ায় তাহসিফ তুরাগ নদে ঝাঁপ দেন বলে তার দাবি। বুধবার রাজাবাড়ি ঘাটসংলগ্ন তুরাগ নদ থেকে তাহসিফের লাশ উদ্ধার করে নৌপুলিশ।
নৌপুলিশ মূল তদন্ত করছে এবং পিবিআইসহ অন্য সংস্থা ছায়া তদন্তে যুক্ত আছে। দীপের তথ্যের ভিত্তিতে মাজার বস্তি এলাকা থেকে নম্বরপ্লেটবিহীন একটি সুজুকি জিক্সার মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে, যা প্রাথমিকভাবে তাহসিফের বলে ধারণা করা হলেও মালিকানা নিশ্চিত হয়নি। দীপের মোবাইলে প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা লেনদেনের তথ্যও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। কথিত ধাওয়াকারীদের পরিচয় বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সম্পৃক্ততা এখনো নিশ্চিত হয়নি।
তাহসিফের বাবা এনায়েতুল করিম নদীতে ঝাঁপ দিয়ে মৃত্যুর বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেন, তাহসিফ সাঁতার জানতেন এবং পাইলট প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে বিশেষ সাঁতার কোর্স করেছিলেন। সুরতহাল প্রতিবেদনে দৃশ্যমান বাহ্যিক আঘাতের উল্লেখ নেই, তবে ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য নমুনা নেওয়া হয়েছে। ফল না পাওয়া পর্যন্ত দুর্ঘটনা, আত্মহত্যা নাকি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড—কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাননি তদন্তকারীরা।
দীপের ভিন্ন বক্তব্যে তাহসিফ সাউরির মৃত্যু তদন্তে নতুন প্রশ্ন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।