কলকাতার দক্ষিণ শহরতলির বারুইপুরে প্রায় ১১ বছর বয়সী এক মুসলিম কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। শনিবার বিকেলে নিখোঁজ হওয়ার পর রোববার সকালে তার লাশ একটি পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক ময়না তদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতে পুলিশ পকসো আইনে মামলা দায়ের করেছে এবং ছয় সদস্যের একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করেছে। তিনজনকে গ্রেফতার ও আরও তিনজনকে আটক করা হয়েছে। ক্ষুব্ধ জনতার হাতে এক অভিযুক্ত নিহত হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সহিংসতা ঠেকাতে বারুইপুরে ১৬৩ ধারা অনুযায়ী পাঁচজনের বেশি জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ভুক্তভোগীর পরিবারকে ন্যায়বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন। সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর সমর্থকরা অভিযোগ করেছেন, পুলিশ তাকে ঘটনাস্থলে যেতে বাধা দিয়েছে, যদিও রাজ্য মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তৃণমূল নেতা অভিষেক ব্যানার্জী ভুক্তভোগীর পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন এবং দ্রুত বিচার দাবি করেছেন।
মুসলিম সম্প্রদায়ের সদস্যরা অভিযোগ করেছেন, বর্তমান সরকার মুসলিমদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ করছে এবং ন্যায়বিচারের দাবিতে প্রতিবাদ করলে তাদের আটক করা হচ্ছে।
বারুইপুরে মুসলিম কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যায় উত্তেজনা, রাজ্যে রাজনৈতিক বিরোধ তীব্র
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।