ছয় মাস পর শনিবার সকাল ৭টায় কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স খোলা হয়। কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিনের উপস্থিতিতে ১৩টি দানবাক্স খোলা হয়। এতে মোট ৪৩ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে এবং গণনা শুরু হয়েছে। দানবাক্স খোলা ও গণনা কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন ছিলেন।
গত ২৭ ডিসেম্বর সর্বশেষ দানবাক্স খোলা হলে ৩৫ বস্তা টাকা পাওয়া যায়, যার মোট পরিমাণ ছিল ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা। তখন বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণালংকার ও নানা পণ্যও পাওয়া গিয়েছিল। নরসুন্দা নদীর তীরে অবস্থিত আড়াইশ বছরের পুরোনো এই মসজিদটি ১৯৭৯ সালের ১০ মে থেকে ওয়াকফ-স্টেটের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে।
সব ধর্মের মানুষের কাছে পাগলা মসজিদ একটি পবিত্র স্থান হিসেবে পরিচিত। মানুষ বিশ্বাস করে, এখানে একনিষ্ঠ মনে দান করলে মনের বাসনা পূরণ হয়। তাই অনেকে টাকা-পয়সা ছাড়াও স্বর্ণ, হাঁস-মুরগি, গবাদি প্রাণি ও অন্যান্য সামগ্রী দান করে থাকেন।
কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদের দানবাক্সে ৪৩ বস্তা টাকা উদ্ধার
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।