২০২৬ সালের ২৬ এপ্রিল ‘আমার দেশ’ পত্রিকায় প্রকাশিত এক মতামত নিবন্ধে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক গণভোট বাতিলের ফলে বাংলাদেশে রাজনৈতিক বিভাজন আরও গভীর হয়েছে। লেখক অভিযোগ করেছেন, ক্ষমতায় এসে বিএনপি সরকার পূর্বের অবস্থান থেকে সরে গিয়ে ক্ষমতা স্থায়ী করার চেষ্টা করছে এবং সংস্কার এড়িয়ে যাচ্ছে। জনগণের রায় উপেক্ষা করে দলীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার এই প্রবণতা দেশকে আবার স্বৈরাচারী ধাঁচে ফিরিয়ে নিতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
নিবন্ধে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নিয়োগসহ বিভিন্ন সিদ্ধান্তকে বিতর্কিত বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব পদে দলীয় প্রভাব ও অযোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগ জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে বলে দাবি করা হয়। লেখক স্মরণ করিয়ে দেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর জনগণ ন্যায়বিচার, শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের প্রত্যাশায় নতুন স্বপ্ন দেখেছিল।
নিবন্ধের উপসংহারে বলা হয়, গণভোটের ফল অস্বীকার করা বিপজ্জনক বার্তা দিচ্ছে এবং এতে নতুন প্রজন্মের আন্দোলন আরও তীব্র হতে পারে।
গণভোট বাতিল ও সরকারি সংস্কার বিতর্কে বাংলাদেশে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।