ভারতের তদন্ত সংস্থা এনআইএ ও মিজোরাম পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, দুর্গম মিজোরামে উদ্ধার হওয়া অস্ত্র বাংলাদেশের চট্টগ্রাম অঞ্চলের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর কাছে পাঠানোর পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। ২০২৫ সালের ১৫ জানুয়ারি সাইথাহে পুলিশ ছয়টি একে-৪৭ রাইফেল, ১৩টি ম্যাগাজিন ও ১০ হাজার ৫০টি গুলি উদ্ধার করে। পরে এনআইএ পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় এবং ইউপিডিএফের সশস্ত্র সদস্যদের কাছে অস্ত্র সরবরাহের ষড়যন্ত্রের কথা জানায়।
চলতি বছরের ২৫ মে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বিএসএফ ও মিজোরাম পুলিশের সিআইডির বিশেষ শাখার হাতে ইউপিডিএফ-প্রগ্রেসিভের তিন সন্দেহভাজন সদস্য গ্রেপ্তারের কথা জানানো হয়। পুলিশের দাবি, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশিতে ৭.৬২ মিলিমিটারের ১ হাজার ৭৯৯টি গুলি উদ্ধার হয়। মামিত জেলার ডাম্পা টাইগার রিজার্ভ এলাকার আরেক স্থান থেকে দুটি একে-৪৭, দুটি ম্যাগাজিন ও ১২টি গুলিও পাওয়া যায়।
পুলিশ বলেছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা আইজলে অবস্থানকারী ডা. প্রীতি চাকমার নির্দেশে গোপন অস্ত্রের চালান সংগ্রহ করে জঙ্গলপথে বাংলাদেশে পাঠানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে। এদিকে গত বছর থেকে চলতি বছরের ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত রাঙামাটিতে সেনাবাহিনীর অভিযানে অন্তত চার দফা অস্ত্র উদ্ধারের তথ্য রয়েছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষক ড. এম শাহিদুজ্জামান অস্ত্রের উৎস, সরবরাহপথ এবং জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
মিজোরামে উদ্ধার অস্ত্র পার্বত্য চট্টগ্রামে পাঠানোর পরিকল্পনার অভিযোগ তদন্তে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।