ব্রেক্সিটের পর সুইডেনে থাকার অধিকার নিয়ে পাঁচ বছরের আইনি লড়াই শেষে ৬৫ বছর বয়সি ব্রিটিশ নাগরিক চার্লসকে যুক্তরাজ্যে ফেরত পাঠিয়েছে সুইডেন। প্রায় নয় বছর সুইডেনে বসবাস করা চার্লস তার সুইডিশ স্ত্রীর সঙ্গে স্থানীয় পুলিশ স্টেশনে গেলে তাকে আটক করা হয়। প্রায় দুই সপ্তাহ আটককেন্দ্রে থাকার পর মঙ্গলবার স্টকহোম থেকে বিমানে লন্ডনে পাঠানো হয় তাকে।
চার্লস বলেন, সুইডেনে তিনি স্ত্রী, বাড়ি ও পরিচিত জীবন রেখে এসেছেন, অথচ যুক্তরাজ্যে তার কোনো বাড়ি, সম্পত্তি বা নিকট পরিবার নেই। ব্রেক্সিটের আগে তিনি সুইডেনে বৈধভাবে বসবাস করতেন এবং পরে থাকার অধিকার নিশ্চিত করতে আবেদন করেছিলেন, যা প্রত্যাখ্যাত হয়। তিনি স্বেচ্ছায় যুক্তরাজ্যে ফেরার ও কিছু জিনিসপত্র নেওয়ার অনুমতি চেয়েছিলেন, কিন্তু তা গ্রহণ করা হয়নি বলে জানান।
সূত্র অনুযায়ী, সুইডেন এখন পর্যন্ত ৪৫৮ ব্রিটিশ নাগরিককে ফেরত পাঠিয়েছে বা জোরপূর্বক অপসারণ করেছে। ব্রিটিশ ইন ইউরোপের চেয়ার জেন গোল্ডিং বলেন, চার্লসের ঘটনা প্রত্যাহার চুক্তির উদ্দেশ্য ও বাস্তব প্রয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তোলে। সুইডিশ বিরোধী দলগুলো ক্ষতিগ্রস্ত ব্রিটিশদের নতুন করে আবেদন করার সুযোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও, ইতোমধ্যে ফেরত পাঠানো ব্যক্তিদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত।
ব্রেক্সিট-পরবর্তী বসবাসের বিরোধে চার্লসকে যুক্তরাজ্যে ফেরত পাঠাল সুইডেন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।