জুলাই-আগস্ট গণআন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত দিনাজপুরের শহীদ রবিউল ইসলাম রাহুলের পরিবার হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত বিচার দাবি করেছে। ৩ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে পরিবারটি জানায়, আর্থিক সংকটের কারণে রাহুলের বড় ভাইয়ের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও তারা সরকারের কাছে চেয়েছে। রাহুল দিনাজপুর সদর উপজেলার ফাজিলপুর ইউনিয়নের বিদুরশাহী গ্রামের মো. মুসলেম উদ্দিন ও ফরিদা বেগমের ছোট ছেলে ছিলেন।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচিতে দিনাজপুর শহরের জজ কোর্টসংলগ্ন কাচারির মোড়ে অংশ নেওয়ার সময় রাহুল গুলিবিদ্ধ হন। তাদের দাবি, তাঁর শরীরে ১৯টি গুলি লাগে। প্রথমে দিনাজপুর জেনারেল হাসপাতালে এবং পরে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার পর তিনি বাড়ি ফেরেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ৭ আগস্ট তাঁকে আবার হাসপাতালে নেওয়া হয়; ৯ আগস্ট সন্ধ্যায় আইসিইউতে তাঁর মৃত্যু হয়।
বাবা মুসলেম উদ্দিন বলেন, বড় ছেলে ফরিদুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা করলেও এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তিনি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেখতে চান। পরিবারটির সাড়ে পাঁচ শতক বসতভিটা ছাড়া আবাদি জমি নেই। আগে সবজি ও মাছ বিক্রি করে সংসার চললেও মানসিক আঘাত, অসুস্থতা ও হৃদ্রোগের সমস্যায় বাবা এখন কাজ করতে পারছেন না।
রাহুল হত্যার বিচার ও বড় ছেলের কর্মসংস্থানের দাবি পরিবারের
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।