বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ‘ই-পার্লামেন্ট’ প্রকল্পের নাম পরিবর্তন করে ‘ই-বাংলাদেশ পার্লামেন্ট’ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে কমিটির প্রথম সভায় এ সিদ্ধান্ত হয় বলে সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সাউন্ড সিস্টেমসহ প্রকল্পের বিভিন্ন কাজে পুনরাবৃত্তি বা দ্বৈততা আছে কি না যাচাইয়ে তিন সদস্যের একটি উপকমিটি গঠন করা হয়েছে।
ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় কমিটির সদস্য ও হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজানসহ অন্য সদস্যরা অংশ নেন। সভায় প্রকল্প নিয়ে উপস্থাপনা দেওয়া হয় এবং সংসদীয় কার্যক্রমকে আধুনিক, গতিশীল ও প্রযুক্তিনির্ভর করার বিভিন্ন দিক আলোচনা করা হয়। প্রকল্পের উপাদানগুলোর মধ্যে সমন্বয়, যথাযথ বাস্তবায়ন এবং কাজের পুনরাবৃত্তি এড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা ও পরিচিতির কথা বিবেচনায় নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সাঈদ আল নোমান, লুৎফুল্লাহেল মাজেদ ও আন্না মিনিজকে নিয়ে গঠিত উপকমিটি পর্যালোচনা শেষে সুপারিশসহ প্রতিবেদন দেবে। হুইপ নিজান বলেন, প্রকল্পটি প্রাথমিক পর্যায়ে আছে এবং এখনো বরাদ্দ হয়নি, তাই নির্দিষ্ট সময়সীমা বলা যাচ্ছে না। তিনি আগামী ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যে দৃশ্যমান অগ্রগতির আশা করেন। পরিকল্পনায় অধিবেশন, বিল, আইন, উপস্থিতি ও ভোটের তথ্য অনলাইনে দেওয়া এবং নাগরিকদের মতামত ও ই-পিটিশন জমার সুযোগ রাখার কথা বলা হয়েছে।
সংসদের ডিজিটাল উদ্যোগের নাম বদল, কাজের দ্বৈততা যাচাইয়ে উপকমিটি গঠন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।