কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় তিন দিনের রিমান্ড শেষে সাবেক সেনা কর্মকর্তা (অব.) হাফিজুর রহমানকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন কুমিল্লার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আমান। পিবিআই তদন্ত কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম জানান, রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এবং হাফিজুরের ডিএনএ নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য যাচাই শেষে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তনুর বাবা ইয়ার হোসেন বলেন, শুধু একজন নয়, আরও আসামি গ্রেপ্তার করা উচিত। তিনি অভিযোগ করেন, একজনকে পুতুলের মতো আনা-নেওয়া করা হচ্ছে। এর আগে পিবিআই তিনজন অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে মেলানোর আবেদন করে, যার মধ্যে হাফিজুরও ছিলেন। ২০১৬ সালের মার্চে কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে তনুর মরদেহ উদ্ধার হয় এবং তার বাবা অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
তদন্ত সংস্থা ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছে, যা মামলার পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণে সহায়ক হবে।
দশ বছর পর এক আসামি গ্রেপ্তারে অসন্তুষ্ট তনুর বাবা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।