মহেশখালীর দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের একটিতে কারিগরি ত্রুটির কারণে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। ২৬ জুলাই প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, গত এক সপ্তাহ ধরে বাসাবাড়ি, সিএনজি ফিলিং স্টেশন ও শিল্পকারখানায় গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় জনভোগান্তি বাড়ছে। জ্বালানি বিভাগ সংকট কবে কাটবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট আশ্বাস দিতে পারেনি।
নতুন বাজার, মোহাম্মদপুর ও ৬০০ ফিট সড়ক এলাকার বাসিন্দারা রান্নার গ্যাসের অভাব ও নিম্নচাপের কথা জানিয়েছেন। সিএনজি চালকেরা পাম্পে গ্যাস না পাওয়া বা ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা অপেক্ষার অভিযোগ করেছেন। নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও নরসিংদীতেও আবাসিক ও শিল্প খাতে সংকট রয়েছে; সাভার ও গাজীপুরের কারখানার স্বাভাবিক উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। কমিশন বাড়ানোর দাবিতে সিএনজি স্টেশন মালিকদের সংগঠন ধর্মঘটের প্রস্তুতিও নিচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, যুক্তরাজ্য ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিশেষজ্ঞরা ত্রুটি শনাক্ত করে মেরামত করছেন, তবে জটিলতার কারণে সময়সীমা বলা কঠিন। দেশে দৈনিক ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ ২ হাজার ৭০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। সরকার আরও এফএসআরইউ, মাতারবাড়ীতে স্থলভিত্তিক টার্মিনাল এবং গ্যাস অনুসন্ধানে বিনিয়োগের উদ্যোগের কথা জানিয়েছে।
এফএসআরইউ ত্রুটিতে ঢাকাসহ আশপাশে গ্যাস সংকট, সমাধানের সময়সীমা অনিশ্চিত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।