মেটাকোর সাবকম লিমিটেডের প্রস্তাবিত বেসরকারি সাবমেরিন কেবল প্রকল্প নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র তীব্র আপত্তি জানিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। স্টেট ডিপার্টমেন্টের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা লরা এন্ডারসন ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের ইকোনমিক মিনিস্টার ফজলে রাব্বিকে ই-মেইল করেন, যা পরে তৎকালীন বিডা চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীকে পাঠানো হয়। প্রস্তাবিত ঋণ নিয়ে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের ৬ ফেব্রুয়ারির বোর্ড ভোটের আগে বাংলাদেশকে আপত্তি জানাতে বলা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের ই-মেইলে বলা হয়, প্রকল্পটি নিরাপত্তা ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে, এর দীর্ঘমেয়াদি নির্ভরযোগ্যতা সীমিত হতে পারে এবং বাংলাদেশে প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ আকর্ষণের সক্ষমতা কমাতে পারে। ঠিকাদার HMN Technologies, সাবেক Huawei Marine Networks, এবং UMO ট্রাংক কেবল বা সিগমার সঙ্গে সংযোগ নিয়ে উদ্বেগ জানানো হয়। প্রকল্প এগোলে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশের ডিজিটাল খাতে বিনিয়োগ করবে না বলেও ই-মেইলে উল্লেখ করা হয়েছে।
মেটাকোরের অন্যতম মালিক ও আইএসপিএবির সভাপতি আমিনুল হাকিম বলেন, নোকিয়া ও ইনফার্নার প্রযুক্তি গ্রহণের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে এবং নয়টি প্রয়োজনীয় এনওসির সাতটি পাওয়া গেছে। তবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নথি অনুযায়ী নোকিয়ার সঙ্গে টার্মিনাল ইকুইপমেন্ট সরবরাহের চুক্তি হয় ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, আর স্টেট ডিপার্টমেন্টের ই-মেইল পাঠানো হয় তার প্রায় দুই মাস পর।
মেটাকোরের প্রস্তাবিত সাবমেরিন কেবল প্রকল্পে যুক্তরাষ্ট্রের আপত্তি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।