রাজধানীর বাজারে চলতি সপ্তাহে সবজির দাম কিছুটা কমে ভোক্তাদের সীমিত স্বস্তি দিলেও মাছ, মুরগি ও ডিমের দাম চড়া রয়েছে। বৃহস্পতিবার নয়াবাজার ও কারওয়ান বাজারে অধিকাংশ সবজি ৫০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে; সরবরাহ বাড়ায় দাম কমেছে বলে খুচরা ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন। পেঁয়াজের দামও আগের সপ্তাহের তুলনায় কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা কমে ৪০ থেকে ৫০ টাকায় নেমেছে। তবে বুধবার সরকার বোতলজাত সয়াবিন তেলের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য লিটারে ৫ টাকা বাড়িয়ে ২০৪ টাকা নির্ধারণ করেছে।
মাছের বাজারে স্বস্তি নেই। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। ৯০০ গ্রাম থেকে এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হয়েছে কেজিতে ২ হাজার ২৫০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকায়। ব্রয়লার মুরগি ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা কেজি এবং ডিম ডজনপ্রতি ১৫০ টাকা বা তার বেশি দামে বিক্রি হয়েছে।
ব্যবসায়ীরা মাছের সরবরাহ কমার কথা উল্লেখ করে দাম বাড়ার কারণ জানিয়েছেন। মুদি ব্যবসায়ীরা বলেছেন, তেল, আটা-ময়দা, চিনি, ডাল, গুঁড়া দুধ ও বিভিন্ন গৃহস্থালি পণ্যের দাম বাড়ায় ক্রেতাদের উদ্বেগ বেড়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, ভোজ্যতেলের সরবরাহে সংকট নেই এবং মূল্যস্ফীতির সম্ভাব্য প্রভাব নজরে রাখা হচ্ছে। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, মজুতদারি, কৃত্রিম সংকট ও অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে নিয়মিত বাজার তদারকি ও অভিযান চলছে।
সবজির দাম কমলেও মাছ, মুরগি, ডিম ও বোতলজাত সয়াবিন তেলের বাজারে চাপ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।