Web Analytics

একটি মতামতধর্মী লেখায় বাংলাদেশের নতুন জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন নিয়ে সমালোচনা করা হয়েছে এবং বলা হয়েছে, আইনটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে স্বাধীন তদারকি দুর্বল করতে পারে। লেখাটিতে বলা হয়, সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে আইনটি পাস হয়েছে। ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা এ-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ সংসদে অনুমোদনের জন্য তোলা হয়নি, ফলে তা বিলুপ্ত হয়।

লেখার তথ্য অনুযায়ী, আগের অধ্যাদেশে প্রধান বিচারপতির মনোনীত আপিল বিভাগের একজন বিচারকের নেতৃত্বে বাছাই কমিটির বিধান ছিল। এতে রাজনৈতিক দল, বিশ্ববিদ্যালয়, নাগরিক সমাজ, সাংবাদিক ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্বের কথাও ছিল। নতুন আইনে স্পিকার কমিটির প্রধান এবং আইনমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্য এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিব সদস্য হয়েছেন। লেখক এ কাঠামোর স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

লেখাটি বিশেষভাবে আইনের ১৯ ধারার সমালোচনা করেছে। এতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগে কমিশন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কাছে প্রতিবেদন চাইতে পারবে বলে উল্লেখ আছে। লেখকের দাবি, নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন না দিলে প্রতিকারের ব্যবস্থা না থাকায় কমিশনের স্বাধীন তদন্তক্ষমতা সীমিত হয়েছে।

20 Sep 26 1NOJOR.COM

নতুন মানবাধিকার আইনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জবাবদিহি সীমিত হওয়ার অভিযোগ

Person of Interest

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।