ভারতের হিমাচল প্রদেশের উচ্চভূমিতে দ্রুত বড় হওয়া নয়টি হিমবাহ-হ্রদকে সম্ভাব্য ‘জলবোমা’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি মান্ডি। চাম্বা ও লাহুল-স্পিতি জেলার এসব হ্রদের প্রাকৃতিক বাঁধ ভেঙে গেলে বিপুল পানি ও ধ্বংসাবশেষ নিচের উপত্যকায় নেমে গ্লেসিয়াল লেক আউটবার্স্ট ফ্লাড বা জিএলওএফ ঘটতে পারে বলে গবেষকেরা সতর্ক করেছেন।
ছয় সদস্যের আইআইটি মান্ডি গবেষক দল স্যাটেলাইট ছবি ও অন্যান্য তথ্য বিশ্লেষণ করে পরিবর্তনগুলো পরীক্ষা করে। ২০২৫ সালে ৩ হাজার ৫০০ মিটারের বেশি উচ্চতায় ২ হাজার ৭৬টি হিমবাহ-হ্রদ শনাক্ত হয়েছে, যা ২০১৫ সালের তুলনায় প্রায় ৭১০টি বেশি। এক দশকে এসব হ্রদের মোট আয়তন বেড়েছে ২৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। ঝুঁকিপূর্ণ নয় হ্রদের মধ্যে আছে কালিকুন্ড, চন্দ্রতাল, বাসুকি, সুরাই, কিয়া সো, ইয়োচে, সামুদ্রা তাপু, কাসাং ও গেপাং গাথ।
গবেষকদের মতে, তাপমাত্রা বৃদ্ধি হিমবাহ গলন ত্বরান্বিত করছে এবং পর্যটনজনিত ধুলা সূর্যালোক বেশি শোষণ করে গলন বাড়াতে পারে। সম্ভাব্য বিপদ অঞ্চলে ১৫টির বেশি সেতু, জনবসতি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র রয়েছে। চারটি বড় হ্রদে আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা ও ঝুঁকি প্রশমন পদক্ষেপের জন্য কেন্দ্রের কাছে ১০৫ কোটি রুপি চেয়েছে হিমাচল সরকার।
হিমাচলের নয়টি দ্রুত বড় হওয়া হিমবাহ-হ্রদ নিয়ে আইআইটি মান্ডির বন্যাসতর্কতা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।