মধ্যপ্রাচ্যে কয়েক দিনের আপেক্ষিক শান্তির পর ইরান আবার হামলা শুরু করেছে। সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন কোনো মার্কিন হামলার প্রতিক্রিয়ায় নয়, বরং নিজ শর্তে যুদ্ধের গতিপথ বদলাতে তেহরান এই পদক্ষেপ নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এটিকে ‘অপ্রত্যাশিত হামলা’ বলেছে। ৩০ জুলাই প্রকাশিত প্রতিবেদনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফক্স নিউজকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর কঠোর আঘাত হানবে।
ইরান আগে প্রকাশ্যে বিরতির প্রতিশ্রুতি না দিলেও এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, সশস্ত্র বাহিনী সামরিক পদক্ষেপ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু সাময়িক সংযমের বার্তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আমেরিকান বাহিনীকে লক্ষ্য করে হামলা হয়। গবেষক হামিদরেজা আজিজির মতে, ইরানের কৌশলে মৌলিক পরিবর্তন এসেছে; আসন্ন হুমকির আভাস পেলে তারা আগেভাগে হামলা চালাতে প্রস্তুত। তিনি হামলাটিকে ওয়াশিংটনে ট্রাম্প-নেতানিয়াহু বৈঠকের সঙ্গে সম্পর্কিত সংকেত হিসেবেও দেখেন।
জর্ডানে ইরানি হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি বাহিনী ইরাকে ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়াদের ওপর যৌথ অভিযান চালায়। সেনটকম জানায়, গত ৭২ ঘণ্টায় মার্কিন বাহিনী ও সৌদি জ্বালানি অবকাঠামোয় ৩০টির বেশি ড্রোন হামলার জবাবে অভিযানটি হয়েছে। উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের সার্বভৌমত্বকে লাল রেখা বলে উল্লেখ করেন এবং বিকল্প নৌপথের প্রচেষ্টাকে দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তার হুমকি হিসেবে বর্ণনা করেন।
হরমুজ ইস্যুতে ইরানের নতুন হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত আরও বিস্তারের আশঙ্কা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।