লালমনিরহাটের দীর্ঘদিনের পরিত্যক্ত মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালুর সম্ভাবনা যাচাইয়ে রোববার সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান, এমপি। বন্দর পুনরুজ্জীবনের উদ্যোগের অংশ হিসেবে পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, এমপি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বন্দরটি চালু হলে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে নতুন গতি আসবে এবং লালমনিরহাটসহ এ অঞ্চলের অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মানজারুল মান্নানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে বন্দরটির ভৌত অবকাঠামো ও সার্বিক অবস্থা পরিদর্শন করে একটি প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছেন।
রাজিব আহসান জানান, বন্দর চালুতে বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রয়েছে। নদীর ওপারে একটি সেতু, সড়ক, ছোট একটি স্টেশন ও প্রয়োজনীয় জনবল লাগবে এবং সরকার এগুলো নির্মাণে প্রস্তুত। তবে ভারতের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি জরুরি; ভারত তাদের অংশে কাজ শুরু না করলে বাংলাদেশের পক্ষেও বন্দর চালু সম্ভব নয়। ১৯৮৮ সালের বন্যায় ধরলা নদীর রেলসেতু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর বন্দরটির কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে।
ভারতের সঙ্গে সমঝোতা ও কার্যক্রমের শর্তে মোগলহাট স্থলবন্দর চালুর সম্ভাবনা যাচাই
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।