স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বাংলাদেশের টেকসই ও মসৃণ উত্তরণ নিশ্চিত করতে জনগণ, বেসরকারি খাত, জাতিসংঘ, উন্নয়ন সহযোগী এবং বহুপক্ষীয় উন্নয়ন সংস্থাকে নিয়ে ব্যাপক সংস্কার বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করেছে সরকার। রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, বাড়তি প্রস্তুতির সময়কে কাঠামোগত অর্থনৈতিক রূপান্তর, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, নতুন বাজার সৃষ্টি ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের ভিত্তি তৈরিতে ব্যবহার করা হবে।
তিতুমীর বলেন, সরকার এলডিসি উত্তরণকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দিকে টেকসই অগ্রগতির সুযোগ হিসেবে দেখছে। উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা, মধ্যপ্রাচ্য সংকটজনিত বাহ্যিক চাপ এবং আগাম প্রস্তুতির ঘাটতিকে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনীতিকে বহুমুখী করা, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ও উৎপাদনশীলতা বাড়াতে বড় সংস্কার প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন। ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা, বিনিয়োগে অর্থায়ন, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং রপ্তানি পণ্যের বিস্তার অগ্রাধিকার পাবে।
আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক, এডিবি, এআইআইবি ও আইএসডিবি চিহ্নিত সংস্কারে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে। সম্ভাব্য শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত সুবিধা হ্রাস মোকাবিলায় সরকার এফটিএ বা সেপার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। মাতারবাড়ীকেন্দ্রিক জ্বালানি অবকাঠামো, এলএনজি আমদানি সক্ষমতা, সৌরবিদ্যুৎ, কম সিস্টেম লস এবং এলএনজি উৎস বহুমুখীকরণের পরিকল্পনাও রয়েছে।
টেকসই এলডিসি উত্তরণে সংস্কার, বাণিজ্য চুক্তি ও জ্বালানি পরিকল্পনায় জোর সরকারের
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।