বাংলাদেশের অন্যতম আনারস উৎপাদন অঞ্চল টাঙ্গাইলের মধুপুরে আধুনিক প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র না থাকায় কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত আনারসের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন না। “আনারসের রাজধানী” নামে পরিচিত এ অঞ্চলের অনুকূল আবহাওয়া ও মাটির কারণে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ আনারস উৎপাদিত হলেও খাতটি কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছাতে পারেনি। স্থানীয় কৃষক ও কর্মকর্তারা মনে করেন, প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প গড়ে উঠলে আনারস থেকে জুস, জেলি ও বিস্কুট তৈরি করে রপ্তানি করা সম্ভব হবে, যা বৈদেশিক মুদ্রা আয় ও কর্মসংস্থান বাড়াবে।
চাষি সুরজ্জামান ও অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট মাসুদ রানা বলেন, সরকারি উদ্যোগে একটি কারখানা ও গ্যাস সংযোগ স্থাপন করা গেলে পরিবহন ব্যয় কমবে, আনারস নষ্ট হবে না এবং বাজার সিন্ডিকেটের প্রভাব কমবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জুবায়ের হোসেন ও কৃষি কর্মকর্তা রকিব আল-রানা জানান, চলতি মৌসুমে ৬ হাজার ৪৭৯ হেক্টর জমিতে আনারস চাষ হয়েছে এবং প্রায় ৫০০ কোটি টাকার বাণিজ্যের সম্ভাবনা রয়েছে।
তারা মনে করেন, আধুনিক বিপণন ব্যবস্থা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র স্থাপনই মধুপুরের আনারস শিল্পের পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগানোর একমাত্র উপায়।
প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র না থাকায় মধুপুরের আনারস চাষিরা ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।