চলমান ইরান যুদ্ধ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুই দশকের প্রচেষ্টাকে দুর্বল করে দিয়েছে, যার মাধ্যমে দেশটি নিজেকে উপসাগরীয় অঞ্চলের একটি চটপটে ও অপরিহার্য মধ্যম শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। বন্দর নির্মাণ, মিলিশিয়া গঠন ও বৈশ্বিক অংশীদারিত্বে বিনিয়োগের পরও ইরানের সাম্প্রতিক হামলা আমিরাতের কাঠামোগত দুর্বলতা প্রকাশ করেছে এবং তার সামরিক সক্ষমতার সীমা স্পষ্ট করেছে।
প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদের উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ প্রতিবেশীদের সমালোচনা করে বলেছেন, তারা মিত্র না হয়ে মধ্যস্থতাকারীতে পরিণত হয়েছে। ভাষ্যকার তারেক আল-ওতাইবা ও রাষ্ট্রদূত ইউসুফ আল-ওতাইবা যৌথ প্রতিরোধের আহ্বান জানালেও ইরানের সামরিক শক্তি ও আঞ্চলিক ঐক্যের অভাব আমিরাতকে একা করে দিয়েছে। নেটওয়ার্ক, সার্বভৌম তহবিল ও বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থার ওপর নির্ভরতা সরাসরি সামরিক হুমকির মুখে কার্যকর হয়নি।
প্রবন্ধে বলা হয়েছে, আমিরাতের নিরাপত্তা কেবল আঞ্চলিক সহযোগিতার মাধ্যমে নিশ্চিত হতে পারে। সৌদি আরব, কাতার, ওমান, কুয়েত ও বাহরাইনের সঙ্গে যৌথ নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তোলাই টেকসই স্থিতিশীলতার একমাত্র পথ।
ইরান যুদ্ধ আমিরাতের কৌশলগত দুর্বলতা ও আঞ্চলিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা প্রকাশ করেছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।