২০২৬ সালের ১ জুন সোমবার ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে আট বছর বয়সী স্কুলছাত্রী রামিসা আক্তার হত্যার মামলায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে বিচার শুরু হয়। শুনানিকালে সোহেল আদালতে চিৎকার করে বলেন, তিনি ধর্ষণ করেননি, বরং ‘ডলার’ নামে এক ব্যক্তি ধর্ষণ করেছে, আর তিনি কেবল লাশ টুকরো করেছেন। বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে পরদিন সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী, রামিসাকে কৌশলে ফ্ল্যাটে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ ও হত্যা করা হয় এবং পরে তার দেহ টুকরো করা হয়। ১৯ মে পল্লবীর একটি ফ্ল্যাট থেকে শিশুটির মাথাবিহীন দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সোহেলকে নারায়ণগঞ্জ থেকে এবং স্বপ্নাকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। আসামিপক্ষ দাবি করে, তদন্ত তড়িঘড়ি করে শেষ করা হয়েছে এবং কোনো প্রত্যক্ষদর্শী উপস্থাপন করা হয়নি। আদালতে স্বপ্না কান্নায় ভেঙে পড়েন, আর সোহেল তাকে নির্দোষ দাবি করেন।
সোহেল আদালত ও সাংবাদিকদের সামনে বারবার ‘ডলার’ নামের এক ব্যক্তিকে মূল অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করলেও আদালতে তার বিষয়ে কোনো অতিরিক্ত তথ্য উপস্থাপন করা হয়নি।
শিশু রামিসা হত্যা মামলায় ঢাকায় সোহেল রানা ও স্ত্রীর বিচার শুরু
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।