বাংলাদেশজুড়ে তীব্র গ্যাস সংকটে টেক্সটাইল মিল, ডাইং, ফিনিশিংসহ বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উৎপাদন প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। ১৭ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, রোববার দুপুর থেকে কিছু এলাকায় গ্যাসের চাপ বাড়লেও ময়মনসিংহের ভালুকা ও গাজীপুরের শ্রীপুরে সরবরাহ এখনও স্বাভাবিক হয়নি। শিল্পমালিকদের মতে, প্রায় ২০ দিন ধরে চলা এই সংকট নজিরবিহীন এবং এতে কারখানা বন্ধ, কম উৎপাদন ও সরবরাহ বিলম্বের ঘটনা ঘটেছে।
দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা ৩,৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট, বিপরীতে সরবরাহ সক্ষমতা ২,৭০০ থেকে ২,৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। ২১ জুলাই আগুনে একটি এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ হওয়ায় সংকট তীব্র হয়, যদিও রোববার দুটি টার্মিনালই চালু হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা পুরোনো গ্যাসক্ষেত্রে উৎপাদন কমা এবং নতুন উৎস যোগ না হওয়াকে মূল কাঠামোগত কারণ হিসেবে দেখছেন।
বিকেএমইএ ও বিজিএমইএ নেতারা জানান, কারখানাগুলো সক্ষমতার তুলনায় কম উৎপাদন করছে, পণ্য উড়োজাহাজে পাঠানো ও অতিরিক্ত কর্মঘণ্টায় খরচ বাড়ছে। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সংকট সমাধানে কমপক্ষে দুই বছর লাগতে পারে। বিশেষজ্ঞরা দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদন বাড়ানো, ভোলার গ্যাস গ্রিডে আনা এবং জ্বালানির দক্ষ ব্যবহার বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন।
গ্যাস সংকটে শিল্প উৎপাদন কমেছে, সমাধানে অন্তত দুই বছর লাগতে পারে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।