বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্যে অনুষ্ঠিত হচ্ছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, যা প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের টালমাটাল মেয়াদের ওপর এক ধরনের গণভোট হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই নির্বাচনের ফলাফল স্টারমারের বিদায়কে ত্বরান্বিত করতে পারে এবং দেশটির রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিতে পারে। দুর্বল অর্থনীতি, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং স্টারমারের নেতৃত্বে আস্থাহীনতার কারণে লেবার পার্টি ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসের নির্বাচনে বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধের ফলে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় ব্রিটেনের অর্থনৈতিক সংকট আরও গভীর হয়েছে। ওয়াশিংটনে স্ক্যান্ডালে জড়িত পিটার ম্যান্ডেলসনকে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত স্টারমারের জনপ্রিয়তায় বড় ধস নামিয়েছে। জনমত জরিপে বলা হচ্ছে, লেবার পার্টি ইংল্যান্ডের অন্তত আড়াই হাজার কাউন্সিলের অর্ধেকের বেশি আসন হারাতে পারে, আর উগ্র ডানপন্থি ‘রিফর্ম ইউকে’ দল প্রচারণায় বলছে, “রিফর্মকে ভোট দিন, স্টারমারকে বিদায় করুন।”
নির্বাচনে বড় পরাজয় হলে লেবার পার্টির ভেতরে নেতৃত্ববিরোধী বিদ্রোহ শুরু হতে পারে। ওয়েস স্ট্রিটিং, অ্যাঞ্জেলা রেনার ও অ্যান্ডি বার্নামের মতো নেতারা নেতৃত্বের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে পারেন বলে গুঞ্জন রয়েছে। স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসের জাতীয়তাবাদী দলগুলোর উত্থান যুক্তরাজ্যের অখণ্ডতার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।
যুক্তরাজ্যের স্থানীয় নির্বাচনে স্টারমারের নেতৃত্বে চাপ, লেবার পার্টি বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কায়
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।