প্রদত্ত সূত্র অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন দিল্লিসহ ভারতের বড় শহরগুলোতে তীব্র হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা ‘মোদি হটাও, ভারত বাঁচাও’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন। আন্দোলনের প্রধান ইস্যু হিসেবে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ, শিক্ষা ও পরীক্ষা ব্যবস্থার কেন্দ্রীকরণ, বেকারত্ব এবং প্রশাসনিক জবাবদিহিতার দাবি উল্লেখ করা হয়েছে। সূত্রটি বলছে, নয়াদিল্লি আন্দোলনের কেন্দ্র; মুম্বাই, কলকাতা, চেন্নাই ও বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাতেও বিক্ষোভ ছড়িয়েছে।
সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, বামপন্থী ছাত্রসংগঠন ও কংগ্রেস-সংশ্লিষ্ট এনএসইউআইসহ ছাত্র-তরুণেরা আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা রাখছে। কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি ও বাম দলসহ ২৫ দলের ইন্ডিয়া জোট ‘সেভ ডেমোক্রেসি’ সমাবেশের মাধ্যমে এতে যুক্ত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গে, মমতা ব্যানার্জি, অখিলেশ যাদব, তেজস্বী যাদব ও শারদ পাওয়ারের নামও উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনটিতে বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়ায় প্রায় ১৩ কোটি নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ তুলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করা হয়েছে। ইসিনেট সফটওয়্যার নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ, মেট্রো স্টেশন বন্ধ, ইন্টারনেট সীমিত করা এবং প্রায় ৭,০০০ জনকে গ্রেপ্তারের কথাও সূত্রে আছে। এসব অভিযোগ ও মূল্যায়ন বিক্ষোভকারী, বিরোধী দল ও ভাষ্যকারদের দাবি হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে।
ভোটার তালিকা ও শিক্ষা নীতি নিয়ে ভারতে মোদি বিরোধী বিক্ষোভের দাবি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।