ইসরায়েলি গণমাধ্যমের অভিযোগ অস্বীকার করেছে কাতার, যেখানে বলা হয়েছিল দেশটি ইচ্ছাকৃতভাবে তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) উৎপাদন বন্ধ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি দামের ওপর প্রভাব ফেলতে। বৃহস্পতিবার আল জাজিরাকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এক জ্যেষ্ঠ কাতারি কর্মকর্তা বলেন, এসব অভিযোগ কাতার ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির প্রচেষ্টা। তিনি জোর দিয়ে বলেন, কাতার রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক স্বার্থের চেয়ে মানুষের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেয়। ওই কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ গণমাধ্যম সহযোগীরা আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা বাড়াতে এমন প্রচারণা চালাচ্ছে।
কাতারএনার্জি, যা বিশ্বের ২০ শতাংশ এলএনজি সরবরাহ করে, গত সপ্তাহে ইরানি ড্রোন হামলার পর উৎপাদন স্থগিত করে। কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, হামলায় মেসাইয়েদ ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটির একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের পানির ট্যাংক এবং রাস লাফানে কাতারএনার্জির একটি জ্বালানি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কাতারি কর্মকর্তা ইসরায়েলি বিশ্লেষক আমিত সেগালের দাবি প্রত্যাখ্যান করেন, যেখানে বলা হয়েছিল ইরান ও কাতার যৌথভাবে উৎপাদন বন্ধ করেছে যুদ্ধের ওপর চাপ সৃষ্টির জন্য।
কাতার সতর্ক করে বলেছে, এমন বিভ্রান্তিকর প্রচারণা আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়াতে পারে এবং পরিস্থিতি শান্ত রাখতে সংযম প্রয়োজন।
ইরানি ড্রোন হামলার পর এলএনজি বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে লক্ষ্য করার অভিযোগ অস্বীকার কাতারের
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।