Web Analytics

খুলনার ফুলতলা উপজেলার আলকা গ্রামের সুপার জুট মিল এবং এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান সুপারেক্স লেদার এখন বড় ঋণের চাপে সংকটে রয়েছে। ২০০৬ সালে প্রায় ২৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগে প্রতিষ্ঠিত সুপার জুট মিল একসময় ২৪টি দেশে পাটজাত পণ্য রপ্তানি করত, প্রায় পাঁচ হাজার স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান করেছিল এবং দৈনিক ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত লাভ করত বলে ব্যবস্থাপনা সূত্র জানিয়েছে। ২০১৬ সালে উত্তরডিহি গ্রামে প্রায় ৭০০ কোটি টাকা বিনিয়োগে প্রতিষ্ঠিত হয় সুপারেক্স লেদার।

দুই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম ফিরোজ আহমেদ ভূঁইয়ার দাবি, ব্যবসায়িক ব্যর্থতার কারণে নয়, ২০১৭ সালের পর প্রয়োজনীয় ব্যাংক চলতি মূলধন না পাওয়ায় উৎপাদন ও ব্যবসা সংকুচিত হয়েছে। তিনি অর্থায়ন বন্ধ রেখে প্রতিষ্ঠান দুটি দুর্বল ও দখলের চেষ্টা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন; তবে এস আলম গ্রুপের কোনো বক্তব্য প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। ব্যবস্থাপনা সূত্র বলেছে, সুপারেক্স লেদার প্রায় ১৫০ কোটি টাকার চামড়া কিনলেও রাসায়নিক ও অন্যান্য উপকরণের অর্থ পায়নি।

ইসলামী ব্যাংকের দৌলতপুর শাখার ব্যবস্থাপক ইফতেখার হোসেন বলেন, প্রতিষ্ঠান দুটি ঋণ পরিশোধে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা দেয়নি এবং কিস্তি পরিশোধেও ব্যর্থ হয়েছে। ঋণ তিন-চারবার পুনঃতফসিল করা হলেও জুলাই থেকে পরিশোধযোগ্য তিনটি কিস্তি বকেয়া রয়েছে। প্রতিষ্ঠান দুটি উৎপাদনে ফিরতে প্রায় ২০০ কোটি টাকা চলতি মূলধন চাইছে।

09 Oct 26 1NOJOR.COM

ঋণচাপে থাকা দুই খুলনা প্রতিষ্ঠান উৎপাদনে ফিরতে ২০০ কোটি টাকা চলতি মূলধন চায়

Person of Interest

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।