চট্টগ্রামের শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীরা এখন বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসীদের রিমোট কন্ট্রোলে পরিচালিত চাঁদাবাজির মুখে পড়েছেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আন্ডারওয়ার্ল্ডের শীর্ষ নেতা সাজ্জাদ আলী খান ওরফে ‘বড় সাজ্জাদ’ মুঠোফোন ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে কোটি টাকার চাঁদা দাবি করছেন। চাঁদা না দিলে হামলার ঘটনা ঘটছে, এমনকি পুলিশ পাহারায় থাকা অবস্থায়ও স্মার্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমানের বাড়িতে দ্বিতীয় দফা গুলিবর্ষণ হয়েছে। নির্মাণ, ইটভাটা ও পরিবহনসহ বিভিন্ন খাতে এই চাঁদাবাজির জাল ছড়িয়ে পড়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, ভারতে পলাতক বড় সাজ্জাদ চট্টগ্রামের অন্তত পাঁচটি থানার অপরাধ জগত নিয়ন্ত্রণ করছে। তার সহযোগী ছোট সাজ্জাদ, মোহাম্মদ রায়হান ও হাবিব খান হত্যা, অস্ত্র ও চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধে জড়িত। বড় সাজ্জাদকে দেশে ফেরাতে ইন্টারপোলের সহায়তা চাওয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ ‘হ্যালো সিএমপি’ অ্যাপ চালু করেছে চাঁদাবাজির তথ্য সংগ্রহে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, চাঁদা না দিলে গুলি খাওয়ার ভয়, আর দিলে জুলুম মেনে নেওয়া—এই অবস্থায় বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত হচ্ছে এবং শহরের অর্থনৈতিক স্থিতি হুমকির মুখে পড়ছে।
বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসীদের রিমোট চাঁদাবাজিতে আতঙ্কে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।