Web Analytics

একটি মতামতধর্মী লেখায় বাংলাদেশের নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন নিয়ে সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত বিশেষ কমিটিতে আলোচিত প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনা করা হয়েছে। প্রস্তাবগুলোতে বিচার বিভাগ ও রাষ্ট্রপতিকে বাইরে রেখে উচ্চকক্ষ, সম্ভাব্য উপরাষ্ট্রপতি পদ এবং উচ্চকক্ষের স্পিকারের নেতৃত্বে রাজনৈতিক সমঝোতার ভিত্তিতে সরকার গঠনের কথা বলা হয়েছে। লেখক দাবি করেছেন, এতে নিরপেক্ষতার বদলে বিএনপির নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকার ঝুঁকি রয়েছে।

লেখাটিতে বিএনপির ৩১ দফা রাষ্ট্র সংস্কার কর্মসূচির সঙ্গে বর্তমান অবস্থানের তুলনা করা হয়েছে। ওই কর্মসূচিতে সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠন এবং গণভোটব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের কথা ছিল। লেখকের ভাষ্য অনুযায়ী, দলটি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন থেকে সরে এসে সংবিধান সংশোধন কমিটি করেছে এবং ৭০ শতাংশ মানুষের গণভোটের রায়কে উপেক্ষা করেছে। ২০০৬ সালে বিচারপতি কে এম হাসানকে প্রধান উপদেষ্টা করা নিয়ে বিতর্কও তুলে ধরা হয়েছে।

লেখক বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার নির্বাচন, গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক আস্থার সঙ্গে যুক্ত; তাই দলীয় সুবিধাকে অগ্রাধিকার দিলে নতুন অবিশ্বাস তৈরি হতে পারে। তাঁর মতে, উচ্চকক্ষের সদস্য নির্বাচন, রাজনৈতিক পরিচয়, সরকারপ্রধান নিয়োগ এবং মতৈক্যের নিয়ম নিরপেক্ষ হওয়া জরুরি। বিরোধী দলের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে এমন ব্যবস্থা গড়ার আহ্বান জানানো হয়েছে, যা কোনো পক্ষ এককভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে।

03 Nov 26 1NOJOR.COM

নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন সরকার গঠনে রাজনৈতিক সমঝোতার আহ্বান

Person of Interest

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।