শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, ২০২৮ সালের মধ্যে নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নের কাজ চলছে। তিনি বলেন, বিশেষজ্ঞদের একটি কমিটি বই পরিবর্তন ও পরিমার্জনের কাজ করছে। শুক্রবার বাংলা একাডেমিতে বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা ও সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী জানান, আনন্দময় শিক্ষা নিশ্চিত করতে বইয়ের কাগজ ও প্রিন্টিংয়ের মান উন্নত করতে হবে এবং নোট-গাইড নির্ভর প্রশ্নপত্র তৈরির পদ্ধতি বন্ধে উদ্যোগ নেয়া হবে।
তিনি বলেন, সরকার ট্যাবসহ ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াচ্ছে, যা গাইড বইয়ের ওপর নির্ভরতা কমাবে। শিক্ষকদের ট্যাব দেয়া হচ্ছে এবং ধীরে ধীরে শিক্ষার্থীদেরও ট্যাব দেয়া হবে। নোট-গাইড বইয়ের বিকল্প হিসেবে মানসম্মত সহায়ক বই বাজারে থাকবে, ফলে প্রকাশক ও বিক্রেতাদের ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ উন্নত মানের বই কম দামে ছাপাতে সক্ষম, তাই বই রপ্তানিতে বড় সম্ভাবনা রয়েছে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তারা বইমেলা আয়োজন ও প্রকাশনা খাতে সরকারি সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান। প্রকাশক ও বিক্রেতারা প্রকাশনা ও মুদ্রণশিল্পকে পূর্ণাঙ্গ শিল্প হিসেবে স্বীকৃতি এবং নীতি ও ঋণ সহায়তা প্রদানের দাবি তোলেন।
২০২৮ সালের মধ্যে নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নের লক্ষ্য জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।